আজ , রোববার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

স্বাধীনতার ৫১ বৎসর অতিবাহিত হলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পায়নি অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য সরু মিয়া

লেখক : সাহেদুর রহমান মোরশেদ | প্রকাশ: ২০২২-০৪-০৬ ২২:৪৬:৫০

শফিউল আলম, রাউজানবার্তাঃ

রাউজান পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের সুলতানপুর ছিটিয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দ্বা মৃত সাহেব আলীর পুত্র সরু মিয়া সেনাবাহিনীর সিপাহি পদে চাকুরীবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৭ সালে সরু মিয়া সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলে যায়।

দীর্ঘদিন মধ্যপ্রাচ্যে থেকে দেশে ফিরে এসে সেনাবাহিনীর অবসর ভাতা পাওয়া ও মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য মুক্তিযুদআব বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে আবেদন করেন । অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য সরু মিয়ার মুক্তিযুদ্ব বিষয়ক মন্ত্রনালয় সেনাবাহিনীর গেজেটের পৃষ্টা ও তারিখ হলোÑ ২০৭৭,২৫,০৪-২০০৫, গেজেট নংÑ ১১৫০।

 

সরু মিয়া মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফিরে এসে তারি প্রতিবন্ধী ছেলে সন্তান ইয়াসিন ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েন। আর্থিক সংকটের কারনে সরু মিয়া তার পৈতৃত বসতভিটা বিক্রয় করে দেয়। বর্তমানে রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকায় আবদুর রশিদের টিলায় পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন।

সরু মিয়া মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রানালয়ে আবেদন করার পর গত ২০২১সালের ২৪ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সহকারী সচিব তাপস কুমার ভৌমিক সরু মিয়া মুক্তিযোদ্ধা কিনা তা যাছাই বাছাই করে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরন করার নির্দেশ প্রদান করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রেরিত পত্রের নির্দেশনা অনুসারে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাছাই বাছাই কমিটির সভায় যাছাই বাছাই করে তদন্ত প্রতিবেদন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করেন।

সরু মিয়া বলেন, সেনাবাহিনীর চাকুরী থেকে অবসর নেওয়ার পর অবসর ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও অবসর ভাতা পায়নি। সেনাবাহিনীতে চাকুরী করার সময়ে ১নং সেক্টরের অধিনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকাহানাদার বাহিনী ও রাজাকার আলবদর বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। সকল প্রকার যাছাই বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হলে ও এখনো সরু মিয়া মুক্তিযোদ্বার ভাতা পায়নি বলে অভিযোগ করেন।