আজ , বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হালদা নদীতে ভেসে উঠল মৃত বোয়াল মাছ

লেখক : সাহেদুর রহমান মোরশেদ | প্রকাশ: ২০২৩-০৩-৩০ ১৭:০২:১৮

শফিউল আলম, রাউজানবার্তাঃ
হালদা নদীর বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানিতে বিষ প্রযোগ করে মাছ ধরে একটি চক্র।অভিযোগ রয়েছে হালদা নদীতে বিষ প্রয়োগ করার পর নদীতে মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠলে ঐ মাছ ধরে সংঘবদ্ব চক্রটি বাজার বিক্রয় করে। বড় বড় রুই, কাতলা মাছ বাজারে বিক্রয় করার সময়ে ঐ মাছ কাপ্তাই লেকের অথবা দেশের বিভিন্ন এলাকার বড় বড় মৎস পকল্পের মাছ বলে প্রচার করা হয়।

হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ার ম্যৌসুমে ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার বিাকাল ৩টার সময়ে রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের কাগতিয়া আজিমের ঘাট এলাকায় নদীতে একটি মৃত বোয়াল মাছ ভাসমান অবস্থায় উদ্বার করে স্থানীয় বাসিন্দ্বা রোসাঙ্গীর আলম।

এ ব্যাপারে রাউজান উপজেলঅ নির্বাহী অফিসার আবদুস সামাদ শিকদার এর কাছে ফোন করে জানতে চাইলে একটি মৃত বোয়াল মাছ হালদা নদী থেকে উদ্বার করা হয়েছে বলে সত্যতা নিশ্চিত করেন।

হালদা গবেষক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিদ্যাবিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, মৃত বোয়ালমাছের ওজন ৫ থেকে ৬ কেজি হবে। বোয়াল মাছটি মাটি চাপা দেওয়ার জন্য বলেছি স্থানীয়দেরকে।

প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ার চলছে ভরা মৌসুম। প্রবল বর্ষন ও বজ্রপাত হলে নদীতে শ্রোতের পানিতে মা মাছ ডিম ছাড়ে। নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ার পর রাউজান –হাটহাজারীর ডিম সংগ্রহকারীরা নৌকা ও জাল নিয়ে বৈরী আবহাওয়া উপক্ষো করে নদীতে মা মাছের ডিম সংগ্রহ করে। ডিম সংগ্রহ করার পর ডিম সংগ্রহকারীরা হালদা নদীর তীরে মাটির কুয়ায় ও হ্যচারীতে নিয়ে ডিম ফুঠানোর কাজ করে।

ডিম ফুটিয়ে রেনু উৎপাদন করার পর ডিম সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে মাছ চাষী মৎস হ্যচারীর মালিকেরা চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে রেুনু ক্রয় করে নিয়ে যায়। রেনু ক্রয় করে নিয়ে মৎস চাষীরা পুকুর জলাশয়, মৎস প্রকল্পে মাছের চাষা করে । হালদা নদীর মা মাছের ডিম থেকে উৎপাদিত রেনু ও মাছের পোনা দিয়ে মাছ চাষ করে মৎস চাষীরা বিপুল পরিমান অর্থ লাভ করেন। চৈত্র মাসের শুরু থেকে শ্রাবন মাসের শেস সময়ে পর্যন্ত হালদা নদীতে রুই, কাতলা,মৃগেল, কালিবাউস মাছ ডিম ছাড়ে । হালদা নদীতে বর্তমানে চলছে মা মাছের ডিম ছাড়ার ভরা মৌসুম চলছে। হালদা নদীর মাছের প্রজনন বৃদ্বির জন্যহালদা নদীতে সারা বৎসর মাছ শিকার নিষিদ্ব করা হয়। হালদা নদীতে যান্ত্রিক নৌযান চলাচল নিষিদ্ব করা হয়। হালদানদীর বালু মহল ইজারা দেওয়া বন্দ্র করে দেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

হালদা নদীতে বালু উত্তোলন নিষিদ্ব করা হলেও হালদা নদীর বদুর ঘোনা. দক্ষিন গহিরা, পশ্চিম বিনাজুরী, মগদাই সুইস গেইটের পাশে, নাপিতের ঘাট, পশ্চিম আবুর খীল, খলিফার ঘোনা, হার পাড়া, সার্কদা, দেওয়ানজী ঘাট, হালদার চর, মোকামী পাড়া, ছায়ার চর, হটহাজারীর গড়দুয়ারা, মেখল, মার্দরাসা, নগরীর মোহরা এলাকায় প্রতিদিন বালু উত্তোলন ও জাল ও বড়শী দিয়ে মাছ শিকার করছে সংঘবদ্ব একিধিক সিন্ডিকেটের সদস্যরা।

হালদা পাড়ের বাসিন্দ্বা রাউজান পৌরসভার কাউন্সিলর আলমগীর আলী বলেন, হালদা নদীতে মা মাছ রক্ষায় বর্তমানে যান্ত্রিক নৌযান চলাচল করেনা। ড্রেজার ওপাওয়ার পাম্প বসিয়ে বালু উত্তোলন করেনা। ভাটার সময়ে হালদা নদীর বিভিন্ন এলাকায় হাত দিয়ে সনাতন পদ্বতিত্বে বালু উত্তোলন করছে। বালু উত্তোলন করার পর যান্ত্রিক বিহিন নৌকায় করে বালু পরিহন করছে বালু উত্তোলনকারীরা।